Wednesday, June 29, 2016

কি ভাবে বুঝবেন আপনার স্ট্রোক হতে পারে ?

চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্ট্রোক-এর অর্থ হলো প্রকট স্নায়ু রোগ। মস্তিষ্কের কোষগুলোর কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য নিরবচ্ছিন্ন রক্ত সরবরাহ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মস্তিষ্কই পুরো দেহের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্ক প্রয়োজনীয় অক্সিজেন এবং গ্লুকোজের সরবরাহ পায়। কোন কারণে এই সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটলে সে অংশের কোষগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এটিই ব্রেইন স্ট্রোক নামে পরিচিত।স্ট্রোকের কারণে শরীরের কোন একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ঐ অংশ শরীরের যে অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে চালিত করত তা অবশ হয়ে যেতে পারে। মস্তিষ্কের ডান অংশ শরীরের বাম অংশকে পরিচালিত করে, আর বাম অংশ শরীরের ডান অংশকে পরিচালিত করে। কাজেই স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কের কোন একটি অংশ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হলে শরীরের বিপরীত অংশ অবশ হয়ে যেতে পারে।

শরীরের এক দিক অচল হয়ে গেলে বলা হয় হেমিপ্লেজিয়া (hemiplegia) আর অবশ হলে তাকে হেমিপেরেসিস (hemiparesis) বলা হয়। তবে শরীরের কোন অংশ স্ট্রোকের কারণে অচল হয়ে গেলেও তা আবার ধীরে ধীরে সেরে উঠতে পারে। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ নিউরোলজিস্টের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ফিজিওথেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে ফিজিওথেরাপীও নেবার প্রয়োজন হতে পারে।

ব্রেইন স্ট্রোক কোন ভাবেই হৃদরোগ নয়। তবে রোগীর যদি উচ্চরক্তচাপ থাকে, ডায়াবেটিস কিংবা হৃদরোগ থাকে তবে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বেশি বেড়ে যায়

রক্ত জমাট বেঁধে কিংবা রক্তনালি সরু হয়ে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে এই ব্যাঘাত ঘটতে পারে। আবার রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে রক্তপাতের মাধ্যমেও স্ট্রোক হতে পারে।

প্রকারভেদ

মোটাদাগে স্ট্রোক দু’প্রকার। একটি ইসচেমিক (Ischemic) স্ট্রোক এবং অন্যটি হেমারোজিক (Hemorrhagic) স্ট্রোক। ইসচেমিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের কোন একটি অংশের রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় আর হেমারোজিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে রক্তক্ষণ ঘটে।

লক্ষণ

দু’ধরনের স্ট্রোকের ক্ষেত্রেই একই ধরনের লক্ষণ দেখা যায়। মস্তিষ্কের কোন এলাকায় রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলো, কতটা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হল ইত্যাদি বিষয়ের ওপর লক্ষণগুলো পরিবর্তিত হয়। যে কোন ধরনের স্ট্রোকের ক্ষেত্রেই দ্রুত চিকিৎসককে দেখানো উচিত। দেরি করলে নতুন নতুন লক্ষণ দেখা দেয় এবং এক পর্যায়ে সেটি সারিয়ে তোলা কঠিন হতে পারে।

    মাথা ঘোরা, হাটতে অসুবিধা হওয়া, ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধা হওয়া
    কথা বলতে সমস্যা হওয়া
    অবশ, দুর্বলতা লাগা, শরীরের এক পাশ অকেজো হওয়া
    চোখে ঘোলা লাগা, অন্ধকার লাগা বা ডাবল দেখা, হঠাৎ চোখে কিছু না দেখা
    হঠাৎ খুব মাথা ব্যথা

কারণ

স্ট্রোক এবং হৃদরোগ আলাদা হলেও ঝুঁকির কারণগুলো প্রায় একই। সাধারণত ৫৫ বছরের বেশি বয়সী পুরুষের স্ট্রোক বেশি হয়।

    উচ্চ রক্তচাপ
    বেশি কোলেস্টেরল
    ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ
    ধুমপান
    স্থূলতা
    মদ্যপান
    পারিবারিক ইতিহাস

সতর্কতা:

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর পাঁচ লাক লোক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় এবং দেড় লাখ লোক মারা যায়। বেঁচে যাওয়া অনেকেই পঙ্গুত্বের শিকার হয়। করোনারী হার্ট ডিজিজ এবং ক্যান্সারের পর স্ট্রোকই মৃত্যুর বড় কারণ। ঝুঁকির কারণগুলো এড়িয়ে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের মাধ্যমে স্ট্রোকের সম্ভবনা বা আশঙ্কা আনেকটা কমিয়ে আনা যায়।

করণীয়:

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা
    সম্পৃক্ত চর্বি যেমন যেমন প্রাণীজ তেল, ডিমের লাল অংশ, ঘি, মাখন, অথবা জমে যায় এমন ধরনের যে কোন তেল খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।
    ধূমপান একেবারেই করা যাবে না।
    পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট যেমন সয়াবিন তেল খাওয়া যাবে। মাছ এবং মাছের তেলও উপকারী।
    এন্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ভিটামিন সি, ই এবং বিটা ক্যারেটিন সমৃদ্ধ খাবার স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
    একবার স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের জন্য লো ডোজ অ্যাসপিরিনও বেশ উপাকারী, আবার স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
    নিয়ম মাফিক খাবার খাওয়া
    সতর্ক ভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা
    নিয়ম করে হাটা বা হালকা দৌড়ানো
    দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করা
    মাদক না নেয়া , মদ্যপান না করা

রোগ নির্ণয়:

স্ট্রোক মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘটে, এখানে যেকোন ধরনের রক্তপাত ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। কাজেই দ্রুত রোগ নির্ণয় করে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। মস্তিষ্কে জমাট বাঁধা রক্ত ৩ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ করতে না পারলে অনেক সময় স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যায়। রোগী স্থায়ীভাবে পক্ষাঘাতগস্ত হয়ে পড়তে পারে এমনকি মারাও যেতে পারে।

স্ট্রোক হয়েছে কিনা বোঝার সাধারণত জন্য যেসব পরীক্ষা করা হয়:

    রক্তচাপ, কোলস্টেরল, ডায়াবেটিস, এমিনো এসিড ইত্যাদি মাপা
    আলট্রা সাউন্ডের মাধ্যমে ঘাড়ের আর্টারির ছবি নিয়ে রক্তনালি সরু হয়েছে কিনা সেটা দেখা
    এনজিওগ্রাফি: এক ধরনের রং শরীরে প্রবেশ করিয়ে এক্স-রে-এর মাধ্যমে শরীরে রক্ত চলাচলের চিত্র নেয়া হয়।
    এছাড়া সিটি স্ক্যান এবং এমআরআই-এর মাধ্যমে মস্তিষ্কের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
    ইকোকার্ডিওগ্রাফির মাধ্যমে হৃদপিন্ডের ছবিও নেয়া হয়।

স্ট্রোক রক্তপাতজনিত কারণে নাকি রক্তপ্রবাহে বাধা জনিত কারণে হল সেটা নির্ণয় করাটা জরুরি। কোলস্টেরল বা অন্য কোন কারণে রক্তপ্রবাহে বাধাজনিত কারণে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিন উপকারী, কিন্তু রক্তপাতজনিত কারণে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিন ক্ষতিকর। সিটি স্ক্যান করে এটি জানা যায়।

স্ট্রোক বিভিন্নভাবে হতে পারে। ট্রানজিয়েন্ট ইসকেমিক অ্যাটাক বা ক্ষণস্থায়ী স্ট্রোকের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দেবার কয়েক মিনিটের মধ্যেই রোগী ভালো বোধ করতে পারে। আবার আরও কিছুটা সময় নিয়ে রোগী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এমনিতেই ভালো হয়ে যেতে পারে। তবে ২৪ ঘন্টার বেশি স্থায়ী হলে তাকে ট্রানজিয়েন্ট ইসকেমিক অ্যাটাক বা ক্ষণস্থায়ী স্ট্রোক বলা যায় না।

ইশ! এই কৌশলটা আগে জানা থাকলে স্ট্রোক কে এত ভয় পেতাম না।

ইশ! এই কৌশলটা আগে জানা থাকলে স্ট্রোক কে এত ভয় পেতাম না।

অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে , আপনি
কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের 10 আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না ।
কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।
এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ
হয়ে উঠছে।
যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।
তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100% কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।

এই পোস্টটিকে লাইক করার চেয়ে শেয়ার করলে ব্যাপারটা সবাই জানতে পারবে।
দয়া করে এটিকে বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।
যদি কেউ মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।
মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।

কি ভাবে বুঝবেন আপনার স্ট্রোক হতে পারে ?

সকালের নাস্তায় রাখুন এই প্যানকেকটি আর দ্রুত কমিয়ে ফেলুন ওজন

দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হল সকালের নাস্তা। সকালের খাবার আপনাকে সারাদিনের কাজের শক্তি দিয়ে থাকে। অথচ ওজন কমানোর জন্য অনেকেই সকালের নাস্তা খাওয়া বাদ দিয়ে দেন। দিনের শুরুতে এমন কোন খাবার যদি খাওয়া যায় যা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে তবে কেমন হয়? পুষ্টিবিদগণ সকালের নাস্তায় স্বাস্থ্যকর খাবার রাখার পরামর্শ দেন। সকালে নাস্তায় রাখতে পারেন পুষ্টিকর কলার প্যানকেক। মজাদার স্বাস্থ্যকর এই খাবারটি পুষ্টিগুণ জেনে নেওয়া যাক।

যা যা লাগবে:

২টি ডিম

১/২ কাপ পাকা কলার পেস্ট

সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো (ইচ্ছা)

যেভাবে তৈরি করবেন:
১। একটি পাত্রে কলা এবং ডিম ভাল করে মিশিয়ে নিন।

২। চুলায় মাঝারি আঁচে তেল গরম হয়ে আসলে এতে মিশ্রণটি কেকের আকারে দিয়ে দিন। কেকের এক পাশ ফুলে উঠলে অপর পাশ পরিবর্তন করুন।

৩। দুই পাশ হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।

কার্যকারিতা:

ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং প্রোটিন যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। শরীরে ভাল কলেস্টেরল তৈরি করে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করে থাকে।

পাকা কলাতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ফাইবার, মিনারেল, ভিটামিন, প্রোটিন, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনাসিয়াম, কপার, পটাশিয়াম ভিটামিন সি ইত্যাদি। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। কলাতে থাকা ফাইবার ক্ষুধা লাগা কমিয়ে পেট অনেকক্ষণ ভরিয়ে রাখে।  কলার পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করে।

সকালের নাস্তায় কলার প্যানকেক রাখুন, এটি আপনার ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করবে।

Monday, June 27, 2016

আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ

শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সেক্স বাড়াতে সক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে। আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ।
দুধ :

বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক :

আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অ্যাসপারাগাস :

আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিত। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।
কলিজা :

অনেকেই কলিজা খেতে একদম পছন্দ করে না। কিন্তু আপনার যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।
ডিম :

ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
রঙিন ফল

যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।
মিষ্টি আলু :

মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সেক্স’ ফুড। আপনার শরীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।
কফি :

কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড ঠিক রাখে।
ডার্ক চকোলেট

ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শরীরে বাড়তি যৌন উদ্দীপনা তৈরী করে। গবেষণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক) :

ট্রাফলে পুরুষের যৌন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, নারীদের পুরুষের প্রতি লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।
জয়ফল :

ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।
তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
গরুর মাংস :

কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌন জীবনকে আরো আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।
অ্যাভোকাডো :

অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে নারী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আকর্ষণীয় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌন ইচ্ছা এবংযৌন সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নিষিদ্ধ করেছিল।
ওটমীল :

ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।
পালং শাক ও অন্যান্য সবজি

পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।
বাদাম ও বিভিন্ন বীজ

কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। শিমের বীচিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। এটা আপনার যৌন ইচ্ছা এবং যৌন সামর্থ্য বাড়ায়। জাপানিরা যৌন ইচ্ছা বাড়ানোর জন্য খাবারে প্রচুর শিমের বীচি ব্যবহার করে থাকে। চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শরীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বীর্য তৈরি হয়। যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বীজ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বীজে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা বাড়ায়। আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।

Sunday, June 26, 2016

আসছে ‘ম্যাঙ্গো’ মোবাইল

দেশের বাজারে ম্যাঙ্গো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন আনছে ম্যাঙ্গো ডিজিটাল লিমিটেড। দেশের বাজারে সাশ্রয়ী দামের অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন ও ফিচার ফোন উন্মুক্ত করবে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী মাস নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাঙ্গো ব্র্যান্ডের কয়েকটি মডেলের ফোনের ঘোষণা দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।
ম্যাঙ্গো কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ম্যাঙ্গো মোবাইলের দাম থাকবে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার নাগালে। বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে দেশে ২৫টি গ্রাহক সেবাকেন্দ্র থাকবে।
ম্যাঙ্গো ডিজিটাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী মো. ওহাব খান বলেন, ‘দেশের গ্রাহকদের ভালো মানের হ্যান্ডসেটের অভিজ্ঞতা দিতেই ম্যাঙ্গো মোবাইল যাত্রা শুরু করছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে পার্শ্ববর্তী সার্ক দেশগুলোতেও আমরা ম্যাঙ্গো মোবাইল রপ্তানি করব।’

আগুনে পোড়ার ৬টি প্রাথমিক চিকিৎসা

বেশিরভাগ মানুষই জানেন না পুড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে কী করলে আরাম মিলবে। আর তাই বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারনাবশত এটা ওটা করে পোড়ার ক্ষত আরো বাড়িয়ে ফেলেন। পুড়ে যাওয়ার আছে বেশ কিছু ঘরোয়া প্রতিকার যেগুলো নিমিষেই আরাম দেয় ও জ্বালা পোড়া ভাব কমিয়ে দেয়। আসুন জেনে নেয়া যাক আগুনে পোড়ার ঘরোয়া প্রতিকারগুলো ।

ঠান্ডা পানি : পুড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পোড়া স্থানটি কয়েক মিনিট ধরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন । পুড়ে যাওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ঠান্ডা পানি ব্যবহার করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। ঠান্ডা পানি পোড়া জায়গার জ্বালা পোড়া কমিয়ে দেয় এবং ফোসকা পড়ার ঝুঁকি কমায়। প্রতি দুই তিন ঘন্টা পর পর আক্রান্ত স্থানটি ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ঠান্ডা পানির বদলে ঠান্ডা দুধও ব্যবহার করতে পারেন। তবে পোড়া স্থানে বরফ ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ বরফ পোড়া স্থানের রক্ত চলাচল বন্ধ করে দিয়ে পোড়া স্থানের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

মধু : আগুনে পুড়ে যাওয়া স্থানে মধু দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বালা পোড়া ভাব কমে যায়। মধু হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক তাই পোড়া যায়গায় মধু লাগালে জীবাণু নিধন করে ইনফেকশনের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় ও দ্রুত শুকাতে সহায়তা করে। একটি পরিষ্কার পাতলা সুতি কাপড় বা গজে মধু লাগিয়ে নিন। এবার পোড়া যায়গায় মধু লাগানো কাপড়টি বেঁধে রাখুন। দিনে ৩ থেকে ৪ বার কাপড়টা বদলে দিন। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে পোড়ার ক্ষত দ্রুত ভালো হবে এবং দাগ হবে না।

টি ব্যাগ : শরীরের কোনো অংশ যখন সামান্য পুড়ে যায় তখন টি ব্যাগ আপনাকে আরাম দেবে অনেকটাই। চা পাতায় আছে ট্যানিক এসিড যা ত্বককে শীতল করে। তাই পোড়া স্থানে ভেজা, ঠাণ্ডা টি ব্যাগ ব্যবহার করলে ত্বকের জ্বালা ভাব ও অস্বস্তি অনেকটাই কমে যায়। পোড়া জায়গায় কয়েকটি ঠান্ডা ভেজা টি ব্যাগ ধরে রাখুন। টি ব্যাগ গুলোকে পোড়া জায়গায় ধরে রাখার জন্য পাতলা সুতি কাপড় ব্যবহার করতে পারেন । চা পাতাও ব্যবহার করতে পারেন পোড়া যায়গায়। এই ক্ষেত্রে তিনটি টি ব্যাগের সম পরিমাণ চা পাতা দিয়ে চায়ের লিকার বানিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এবার আক্রান্ত স্থানে পরিষ্কার তুলো বা নরম কাপড় দিয়ে লিকারটি লাগান।

ভিনেগার : ভিনেগার হলো প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজেন্ট ও অ্যান্টিসেপ্টিক। তাই পুড়ে যাওয়া যায়গায় ভিনেগার ব্যবহার করলে বেশ আরাম পাওয়া যায়। ভিনেগারের সাথে সম পরিমাণে পানি মিশিয়ে নিন। এবার এই ভিনেগার মেশানো পানি দিয়ে পোড়া জায়গা কিংবা ক্ষত স্থানটি ধুয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ব্যাথা কমিয়ে দেবে এবং ত্বকে কিছুটা স্বস্তি মিলবে। ক্ষত স্থানে ভিনেগার লাগিয়ে উপরে একটি কাপড় বেঁধে রাখতে পারেন। প্রতি দুই থেকে তিন ঘন্টা পর পর কাপড়টা বদলে দিতে হবে।

অ্যালোভেরা : কোথাও পুড়ে গেলে অ্যালোভেরার তাজা রস বের করে পোড়া জায়গায় লাগিয়ে নিন। অ্যালোভেরার আছে ব্যাথা কমানোর গুণ। পোড়া জায়গায় অ্যালোভেরা লাগিয়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ত্বকে শীতল অনুভূতি পাওয়া যাবে এবং জ্বালা ভাব কমে যাবে। প্রথমে পোড়া জায়গাটা ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর এক টুকরো অ্যালোভেরার পাতা থেকে তাজা রস বের করে পোড়া স্থানে লাগিয়ে নিন। এভাবে দিনে বেশ কয়েকবার লাগান।

ডিমের সাদা অংশ : শরীরের যে স্থানে পুড়ে গেছে সেখানে ডিমের সাদা অংশ দিন। পোড়া জায়গার পরিমাণ বুঝে একটি বা দুটি ডিমের সাদা অংশ লাগতে পারে। পোড়া স্থানে যতক্ষন ডিমের সাদা অংশটা ভেজা ভেজা থাকবে ততক্ষণ জ্বালা পোড়া ভাব থাকবে না। শুকিয়ে গেলে আবার জ্বলা শুরু হলে আরেকটি ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে নিন। ডিমের সাদা অংশ পোড়া ক্ষত দ্রুত সারিয়ে দেয় এবং ত্বকে পোড়া দাগ পড়তে দেয় না।

Saturday, June 18, 2016

জন্মের ৫ সেকেন্ডেই বিশ্ব রেকর্ড এই শিশুর!

 শিশুর প্রথম কথা বলা, প্রথম হাঁটতে শেখা, প্রথম স্কুলে যাওয়া, শিশুর প্রথম সব কিছুই মায়ের কাছে খুব ‘স্পেশাল’। কিন্তু এই সব প্রথমের মধ্যে বোধহয় সবথেকে সুন্দর হয় শিশুর প্রথম

পুতুলের মতো ওই ছোট্ট শিশুটা যখন মায়ের দিকে তাকিয়ে খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে, সেই দৃশ্য মায়ের চোখে খুশির পানি এনে দেয়। কিন্তু কবে প্রথম এই হাসি হাসে সদ্য জন্মানো শিশু? চিকিৎসকরা বলেন, পুরোপুরি হাসতে একটি শিশুর সময় লাগে ৬ থেকে ১২ সপ্তাহ। আড়াই থেকে তিন মাস বয়স হলে তবেই হাসতে শেখে শিশু। কিন্তু শুনলে অবাক হয়ে যাবেন, এই শিশু জন্মেই হাসছে!

জন্মের মাত্র ৫ সেকেণ্ড পরেই হাসতে দেখা গিয়েছে এই শিশুকে। আর সে যেমন তেমন হাসি নয়। রীতিমত ঠোঁটে লেগে রয়েছে চওড়া হাসি। ৯ মাস ধরে মায়ের গর্ভে বন্ধ থাকার পর পৃথিবীর আলো দেখার খুশিতেই হয়ত আর হাসি চেপে রাখতে পারেনি শিশুটি। তার হাসি শুধু সবাইকে অবাকই করেনি, গড়ে ফেলেছে বিশ্ব রেকর্ড।

এই শিশুটিই বিশ্বের একমাত্র শিশু যে জন্মের মাত্র ৫ সেকেন্ডেই হেসেছে। আর এই ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ভাইরাল হয়ে গেছে।

আর্জেন্টিনার শেষ চারে ওঠার লড়াই

বড় টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা সত্যিই বিস্ময়কর। বিশ্বের অন্যতম সেরা দল দীর্ঘ ২৩ বছর কোনো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি! শতবর্ষ উপলক্ষে বিশেষ কোপা আমেরিকা জিততে তাই মরিয়া ‘আলবিসেলেস্তে’রা। গ্রুপ পর্বে দাপটের সঙ্গে খেলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আর্জেন্টিনার সামনে এবার ভেনেজুয়েলা। বাংলাদেশ সময় রোববার ভোর ৫টায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা সুস্পষ্ট ফেবারিট।

গ্রুপ পর্বে চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলেছিল আর্জেন্টিনা। প্রথম ম্যাচে চোটের কারণে খেলতে পারেননি লিওনেল মেসি। তবে বিশ্বসেরা ফুটবলারকে ছাড়াই চিলিকে ২-১ গোলে হারিয়ে গত বছরের কোপা আমেরিকা ফাইনালে হারের প্রতিশোধ নিয়েছিল জেরার্দো মার্তিনোর শিষ্যরা। পানামার বিপক্ষে পরের ম্যাচে শেষ ৩০ মিনিট খেলেই দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে দলকে ৫-০ গোলের সহজ জয় এনে দিয়েছিলেন মেসি। বলিভিয়ার বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নেমে বার্সেলোনা তারকা গোল না পেলেও আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৩-০ গোলের আরেকটি সহজ জয়।
কোমরের চোট কাটিয়ে মেসি এখন প্রায় শতভাগ ফিট। কোয়ার্টার ফাইনালে পাঁচবারের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের শুরু থেকে খেলার উজ্জ্বল সম্ভাবনা। শেষ আটের লড়াইয়ে নামার আগে সমর্থকদের অনুপ্রাণিত হওয়ার মতো কথাও বলেছেন মেসি। আর্জেন্টিনার ক্রীড়াদৈনিক ওলেকে তিনি বলেছেন, ‘যত দিন যাচ্ছে, ততই আমরা সংগঠিত হচ্ছি। সব বিভাগেই আমরা খুব ভালো করছি। বেশ কিছুদিন ধরেই আমরা একসঙ্গে খেলছি। দলের কর্মকর্তাদের আমরা যেমন ভালোমতো চিনি, তেমনি তাঁরাও আমাদের চেনেন। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমরা ভালোমতোই সংগঠিত করেছি নিজেদের।’

যুক্তরাষ্ট্রের ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে দুর্ধর্ষ আর্জেন্টিনার সঙ্গে ভেনেজুয়েলা বিধ্বস্ত হবে বলেই অভিমত অনেক ফুটবল বিশেষজ্ঞর। তবে মেসি প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন। টুর্নামেন্টের রেকর্ড ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া ভেনেজুয়েলানদের সম্পর্কে বরং তাঁর কণ্ঠে সমীহ, ‘কেউ কেউ মনে করছেন ভেনেজুয়েলা সহজ প্রতিপক্ষ। কিন্তু তারা তা নয়। ভেনেজুয়েলা নিজেদের যোগ্যতায় কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। কেউ তাদেরকে দয়া করেনি।’

সতীর্থদের সতর্ক করে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের মন্তব্য, ‘তারা হয়তো ব্রাজিল, উরুগুয়ে বা প্যারাগুয়ের চেয়ে ভালো দল নয়। কিন্তু শেষ আটে উত্তরণ তাদের প্রাপ্যই। আমাদের তাই ভুলের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। খুব কঠিন ম্যাচ অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।’ 

রাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৩ অক্টোবর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। চলবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত।

এবার ভর্তি পরীক্ষায় প্রথমবার অংশগ্রহণকারী ভর্তিচ্ছুদের দ্বিতীয়বার অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে না।

আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক মো. মসিহুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি উপকমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। খুব শিগগির আবেদনসহ ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.ru.ac.bd এবং গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপরেজিস্ট্রার (একাডেমিক) আসলাম হোসেন জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছরের ভর্তি পরীক্ষায় ২০১৬ সালে পাস করা শিক্ষার্থীরাই শুধু অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ২০১৫ সালে পাস শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। অর্থাৎ দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকছে না, শুধু নতুনরাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।’

এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি অনুষদের অধীনে ৫৬টি বিভাগ এবং দুটি ইনস্টিটিউটে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।